সিডনী বুধবার, ২৩শে জুন ২০২১, ৯ই আষাঢ় ১৪২৮


প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি


প্রকাশিত:
৫ মে ২০২১ ১১:১৩

আপডেট:
২৩ জুন ২০২১ ২৩:০২

 

প্রভাত ফেরী: চোটের কারণে মাঠের বাইরে বসে থাকলেন আক্রমণভাগের সেনা কিলিয়ান এমবাপে। জ্বলে উঠতে পারলেন না নেইমার। ভারী তুষারপাতের ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে লাল কার্ড দেখলেন ডি মারিয়া। সব মিলিয়ে এক আশাভঙ্গের রাত দেখল পিএসজি।
ফাইনালে যেতে হলে দরকার ছিল ২-০ গোলের জয়। পিএসজি সেটা পারল না। অন্যদিকে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের স্বপ্নের ফাইনালে ওঠে এলো ম্যানচেস্টার সিটি।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে সেমি-ফাইনালের ফিরতি লেগে ২-০ গোলে পিএসজিকে হারিয়েছে সিটি। প্রথম পর্বে ২-১ গোলে জেতায় দুই লেগ মিলিয়ে ৪-১ ব্যবধানে ফাইনালের টিকিট পেল গার্দিওলা শিবির।
তুষারে মাঠের অনেকটা জায়গা ঢেকে ছিল। তাতে ফুটবলের স্বাভাবিক ছন্দ কিছুটা বিঘ্ন হয়। বিরতির পর আবার নামে বৃষ্টি। তবে কোনো কিছুই থামাতে পারেনি দুর্দান্ত সিটিকে। পিএসজির জন্য হিসেবটা আগে থেকেই ছিল বেশ কঠিন। শুধু জিতলেই হতো না, ব্যবধানটাও রাখতে হতো যথেষ্ট। তেমন কিছুর সম্ভাবনাও জাগাতে পারেনি তারা। পুরো ম্যাচে একটি শটও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি পচেত্তিনোর দল।
ঘরের মাঠে ১১ মিনিটেই এগিয়ে যায় ম্যানসিটি। গোলটি করেন মাহরেজ। প্রতি-আক্রমণে কেভিন ডে ব্রুইনের শট মার্কিনিয়োসের পায়ে লেগে বল চলে যায় ডান দিক। ছুটে গিয়ে জোরালো কোনাকুনি শটে জাল কাঁপান আলজেরিয়ার এই মিডফিল্ডার।
একটু পর দুই মিনিটে ভালো দুটি সুযোগে সুযোগ পায় পিএসজি; কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি তারা। বিরতির আগে আবারও ভীতি ছড়ান মাহরেজ। তবে এ যাত্রায় তার দুরূহ কোণ থেকে নেওয়া শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন নাভাস।
দ্বিতীয়ার্ধে দেখা দেয় বৃষ্টি। এরই মধ্যে সিটি ছিল আরও দুরন্ত। ৬৩ মিনিটে দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় স্বাগতিকরা। এবারও মাহরেজ। ফোডেনের ক্রসে কোনাকুনি শটে স্কোর ২-০ করেন তিনি। দুই গোল হজম করে ক্ষেপে যেন উঠে পিএসজি। হতে থাকে ফাউল। তার জের ধরে মেজাজ হারিয়ে ৬৯ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন ডি মারিয়া।
সাইডলাইনে বাইরে অহেতুক সিটির অধিনায়ক ফার্নানদিনিয়োকের পায়ে পাড়া দিয়ে বহিষ্কার হন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। পিএসজির শেষ আশাটুকুও যেন শেষ হযে যায় তখন। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া পিএসজি উল্লেখযোগ্য আক্রমণ করতে পারেনি। উল্টা শেষ মুহূর্ত পযন্ত ছড়ি ঘোরায় ম্যানসিটি।
প্রথমার্ধেও দু-দফায় দুই পক্ষের মাঝে একটু উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। লাল কার্ডের সিদ্ধান্তে আবারও তাই হয়। হাতহাতিও চলে কিছুটা। পরের চার মিনিটে দুই দলের আরো তিন জন দেখেন হলুদ কার্ড। শেষ অবধি দাপুটে জয়ে মাঠ ছাড়ে সিটি।
আগামী ২৯ মে ইস্তানবুলে হবে ফাইনাল। সেখানে সিটির প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ অথবা চেলসি।


বিষয়:


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top