সিডনী বৃহঃস্পতিবার, ২১শে অক্টোবর ২০২১, ৬ই কার্তিক ১৪২৮

ধর্মই এখন সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে উঠছে : সালেক খোকন


প্রকাশিত:
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:১৩

আপডেট:
২১ অক্টোবর ২০২১ ২৩:১৯

ছবিঃ যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এ জেড সিদ্দিকী

 

উত্তাল মার্চ। আমি তখন ঠাকুরগাঁওয়ে। ৮ মার্চ ১৯৭১। এক দোকানে বসে রেডিওতে শুনি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। তিনি বললেন, ‘আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে…।’ এরপর কি করতে হবে- কাউকে আর বলার প্রয়োজন হয়নি। পাড়ায়-মহল্লায় ঐক্যবদ্ধ হতে থাকে যুবক ছেলেরা। প্রস্তুতি চলে প্রতিরোধ গড়ার।
“মার্চের বিশ তারিখের পরের ঘটনা। ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিদিনই মিছিল বেরুত। পাকিস্তানিরা ওখানে ইপিআর নামিয়ে দেয়। ওরা মিছিলে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান মোহাম্মদ আলী নামের এক রিকশাওয়ালা। আমরা কয়েকজন তাঁর লাশটা ক্যারি করেছিলাম। বুকের ভেতর তখন অজানা আতঙ্ক। পরদিন নরেশ চৌহান নামে এক ছাত্রও শহীদ হয়। বাচ্চা ছেলে। ওকে মারতেও পাকিস্তানিদের হাত কাঁপেনি।
“২৫ মার্চ ১৯৭১। ঢাকায় শুরু হয় গণহত্যা। ঠাকুরগাঁওয়ে রাজনৈতিক নেতা আর সাধারণ মানুষ মিলে ঘেরাও করে ইপিআর ক্যাম্প। আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক এর নেতৃত্ব দেন। ইপিআরের নাইন উইংয়ের হেড কোয়ার্টার ছিল ওখানে। পাকিস্তানি ইপিআর সদস্যরা তখন পালিয়ে যায় সৈয়দপুরে। ওইদিন ওখানে নিজ হাতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে দিই। কিন্তু আমরা টিকতে পারি না। কয়েকদিন পরেই পাকিস্তানি সেনাদের একটি দল সৈয়দপুর থেকে ঢুকে পড়ে ঠাকুরগাঁওয়ে। আমরা তখন আশ্রয় নিই পঞ্চগড়ের তেতুলিয়াতে।
“তৎকালীন এমপিএ সিরাজুল ইসলামের উদ্যোগে তেতুলিয়ায় একটি ইয়ুথ ক্যাম্প গড়ে তোলা হয়। ছাত্র ছিলাম। তাই দেশ নিয়ে চিন্তাও ছিল বেশি। এ দেশ আমার, মাতৃকা আমার। তাই দেশ রক্ষা করাটা পবিত্র দায়িত্ব। এ বোধ থেকেই সিদ্ধান্ত নিই যুদ্ধে যাওয়ার। নাম লেখাই ওই ইয়ুথ ক্যাম্পে।
“ট্রেনিংয়ের জন্য আমাদের পাঠানো হয় শিলিগুড়ির মূর্তি ক্যাম্পে। পাহাড়ের উপরে ছিল ক্যাম্পটি। পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মূর্তি নামের নদী। এ কারণেই ক্যাম্পের নাম হয় মূর্তি ক্যাম্প। পরে ক্যাম্পটির নামকরণ করা হয় ‘মুজিব ক্যাম্প’। চার্লি উইংয়ে আমরা ২০০জন ২৮ দিন ট্রেনিং নিই সেখানে। এফএফ নং: টি ২৯।
“ট্রেনিংয়ে যাদের পারফরম্যান্স ভালো ছিল তাদের একদিন লাইনে দাঁড় করানো হল। মেজর সাহেব প্রশ্ন রলেন: ‘রণক্ষেত্রে ঘোড়া নাকি ১১০টা ভেড়া ভালো?’
“আমিসহ কয়েকজন হাত তুললাম। সবার উত্তর শুনলেন তিনি। শেষে আমার দিকে চোখ পড়তেই বললাম: ‘স্যার, ভেড়া চলে একসাথে। এ নিয়ে যুদ্ধ করা সম্ভব না। ঘোড়া চলে তীর গতিতে। কাজেই ১১০টা ভেড়ার চেয়ে একটি ঘোড়া রণক্ষেত্রে বেশি কার্যকর।’
“উত্তর শুনে তিনি মুচকি হাসলেন। অতঃপর আমাদের দশজনকে মনোনিত করেন দুই সপ্তাহের হায়ার ট্রেনিংয়ের জন্য। ওইদিন থেকেই আমাদের ট্রেন্ড আলাদা। ইউনিফর্ম দেওয়া হয় সাদা প্যান্ট আর সাদা গেঞ্জি।”
মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনাপ্রবাহ এভাবেই তুলে ধরেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এ জেড সিদ্দিকী। পুরো নাম আফতাবুজ্জামান সিদ্দিকী। আবুল কাশেম হাওলাদার ও রহিমা খাতুনের চতুর্থ সন্তান তিনি। বাবা ছিলেন স্টিমারের সারেং। চাকরির কারণে তাঁকে বেশিরভাগ সময় থাকতে হত মংলাসহ বিভিন্ন এলাকায়। বাবার সান্নিধ্য কম পেলেও মা সিদ্দিকীদের আগলে রাখতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার লেবুঝিল বুনিয়া গ্রামে। এক সকালে তাঁর বাড়িতে বসেই আলাপ চলে আমাদের।
সিদ্দিকীর লেখাপড়ায় হাতেখড়ি দক্ষিণ লেবুঝিল বুনিয়া প্রাইমারি স্কুলে। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত তিনি পড়েন ঝালকাঠির রাজাপুর হাই স্কুলে। অতঃপর চলে যান ঠাকুরগাঁওয়ে, দূরসম্পর্কের এক চাচার বাড়িতে। সেখানে দশম শ্রেণিতে ভর্তি হন ঠাকুরগাঁও গভর্মেন্ট স্কুলে। ১৯৭১ সালে তিনি ছিলেন ওই স্কুলেরই এসএসসি পরীক্ষার্থী।
ট্রেনিংয়ের সময়ের মর্মান্তিক স্মৃতিগুলো আজও সিদ্দিকীকে আবেগতাড়িত করে। তিনি বলেন: “হায়ার ট্রেনিং খুব কঠিন ছিল। মৃত্যুঝুঁকিও কম ছিল না। রকেট লাঞ্চারের ফায়ারে তিনজন লাগে। ১,২,৩ বলে কমান্ড করতে হয়। ‘১’ হচ্ছে টোয়াইছি রকেট লাঞ্চারে গোলাটা ঢুকিয়ে দিবে। ‘২’ হল রেডি পজিশনে আর ‘৩’ হল ফায়ার। আমাদের মধ্যে এক ছেলে কমান্ডে ভুল করে। সে ‘২’ না বলে লেলিং পজিশনে যাওয়ার আগেই ‘ফায়ার’ কমান্ড করে। ফলে যার কাধে রকেট লাঞ্চারটা ছিল তার ঘাড়টা উড়ে যায়। তাজা একটা ছেলে মারা যায় চোখের সামনে। এখনও তাঁর মুখটা মনে ভেসে ওঠে। তখন মৃত্যুর ভয় জয় করাও ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের সবচেয়ে বড় ট্রেনিং।”
ট্রেনিংয়ের পর কী করলেন?
“শপথের পর আমাদের একশ জনকে পাঠানো হয় ভারতের হিমকুমারিতে। সেখানে থেকে ৬ নং সেক্টরে চিলাহাটীর বিভিন্ন এলাকায় ঢুকে অপারেশন করি। গাইডার ছিল। ওরা নানা খবর নিয়ে আসত। সে অনুসারে রাতে মুভ করতাম। আমাদের কমান্ড করতেন রফিকুল। অক্টোবরের দিকে আমাদের ক্যাম্পের অবস্থান খানদের নলেজে চলে যায়। ওরা বোম্বিং করতে থাকে ক্যাম্পের ওপর। ফলে হতাহত বাড়তে থাকে। পরে ক্যাম্প নিয়ে আমরা চলে আসি দেওয়ানগঞ্জে।”
একটি অপারেশনের কথা জানালেন মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকী। তাঁর ভাষায়:
“তখন চিলাহাটীতে। খানদের থ্রি ইঞ্চি মর্টারে এক সহযোদ্ধা মারা যায়। মর্ডারের সেল এসে লাগে তাঁর বুকে। সেল পড়লে নিয়ম হচ্ছে লিলিং পজিশনে চলে যেতে হবে। সে লিলিং পজিশনে যাওয়ার আগেই সেলের টুকরাগুলো তাঁর বুক ঝাঝরা করে দেয়। তাঁর বডিটা আমিই তুলে নিয়ে আসি। সহযোদ্ধার বুকের রক্তে শরীর ভিজে যায়। কী যে কষ্ট পেয়েছিলাম সেদিন! মুক্তিযুদ্ধে সহযোদ্ধারাই ছিল সব। সে আমার ভাই, আমি তার ভাই– এটাই ছিল বড় পরিচয়।’
এরপর কোথায় কোথায় অপারেশন করলেন?
“৬ নং সেক্টরের বুড়িমারী সাব সেক্টরের অধীনে ছিলাম আমরা। মেজর চৌহান ছিলেন কমান্ডার। তিনি ১১০ জন নিয়ে ‘টু এফ কোম্পানি’ গঠন করে কমান্ডার হিসেবে এর দায়িত্ব দেন আমাকে। টোয়াইছি ছিলেন রফিকুল। তিনজন ছিলেন প্লাটুন কমান্ডার– আলো, মতিউর রহমান আর হায়দার। গেরিলা ছিলাম। পদ্ধতি ছিল ‘হিট অ্যান্ড রান’। ডিমলা ও ডোমার থানার কুমিরহাট, গোমনাতিসহ বিভিন্ন জায়গায় আমরা অপারেশন করি।’
এক অপারেশনে মারাত্মকভাবে আহত হন এই কোম্পানি কমান্ডার। পাকিস্তানি সেনাদের সেলের স্প্লিনটারের আঘাতে তাঁর বাম পায়ের হাঁটু গুঁড়ো হয়ে যায়। স্প্লিন্টারে জখম হয় বাম হাত ও মাথায়ও।
কী ঘটেছিল একাত্তরের রক্তাক্ত ওই দিনটিতে?
প্রশ্ন শুনে খানিকটা আনমনা হয়ে পড়েন মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকী। মুক্তিযুদ্ধের কষ্টের স্মৃতিগুলো তাঁর মনে ঝড় তোলে। কষ্টের মেঘগুলো তখন বৃষ্টির জল হয়ে ঝরে পরে চোখ বেয়ে। নিজেকে কোনোমতে সামলে নেন এ বীর যোদ্ধা। অতঃপর বলতে থাকেন রক্তাক্ত ওই দিনটির কথা:
“কুমিরহাট তখন মুক্ত। সম্মুখ যুদ্ধ চলছে পুরোদমে। কয়েকটা কোম্পানিসহ সম্মিলিতভাবে মার্চ করছি সামনের দিকে। এক পাশে মনিরুজ্জামানের কোম্পানি অন্যপাশে মাহবুব ভাইয়ের কোম্পানি। মধ্যখানে আমার কোম্পানি। কমান্ড করছেন মেজর চৌহান। ডোমারের চিকনমাটিতে ছিল পাকিস্তানি সেনাদের শক্তিশালি ক্যাম্প। ওখান থেকে তারা গোলা নিক্ষেপ করছে। থেমে থেমে চলছে গুলিও। বোমার আতঙ্কে প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে। সকালে যার সঙ্গে কথা হত বিকেলে সে মৃত। আতঙ্ক থাকলেও মনোবল খারাপ হত না। ভয় ছিল না। উল্টো জেদ চেপে যেত। ওগো হটাতেই হবে।
“বড়াগাড়ি নদীর পাড়ে আসতেই আমাদের সব কোম্পানি হোল্ড করানো হল। ওরা নদীর ওপারে। গোলাগুলিও চলছে। ১০ বা ১১ ডিসেম্বর। ভোরবেলা। চৌহান আমাকে বললেন, ‘টু ইঞ্চ মর্টার ওপেন কর।’
“নিয়ম হচ্ছে টু ইঞ্চ মর্টারে প্রথম ফায়ার দেওয়ার পরেই পজিশন চেঞ্জ করতে হয়। এক জায়গা দুটি ফায়ার দিতে নেই। চিকনমাটির দিকে আমি একটা ফায়ার দিয়ে পজিশন চেঞ্জ করব। এমন সময় বিকট শব্দ হয়। চোখের সামনে কুণ্ডলি পাকানো ধোঁয়া। আমি ছিটকে পড়েই জ্ঞান হারাই। সহযোদ্ধা কোরবান আলী আমাকে তুলে নেয়। যখন জ্ঞান ফিরে তখন শিলিগুড়ি হাসপাতালে। বাম পা ছিল প্লাস্টারে আবৃত। স্প্লিন্টারের আঘাতে বাম হাঁটু গুঁড়ো হয়ে গিয়েছিল। ক্ষত তৈরি হয় বাম হাত ও মাথায়ও।’
যে দেশের জন্য রক্ত দিলেন স্বপ্নের সে দেশ পেয়েছেন কি?
“দেশ তো পেয়েছি। কিন্তু ধনী-গরিবের ব্যবধানটা এত হোক– সেটা তো চাইনি। রণক্ষেত্রে হিন্দু না মুসলমান দেখার কিছু ছিল না। মুক্তিযোদ্ধারা আমার ভাই। তার পাশে থাকতে হবে। এটাই ছিল বড় বিষয়। এখন তো ধর্মই সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবতা লোপ পাচ্ছে প্রবলভাবে। এমন দেশের স্বপ্ন তো আমরা দেখিনি!’
স্বাধীনতা লাভের পরের সরকার নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকী অকপটে তুলে ধরেন নিজের মতামত। তাঁর ভাষায়:
“বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও উদ্দেশ্য সঠিক ছিল। সংসার গড়তেও মানুষের একটা সময় দরকার। তখন সবেমাত্র যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশ। সেটাকে দাঁড় করাতেও সময়ের প্রয়োজন ছিল। সেটা তো তিনি পাননি। তাছাড়া ধানের মধ্যে চিটা থাকবেই। বঙ্গবন্ধু নিজেই বলেছিলেন, ‘সাত কোটির মধ্যে আমার কম্বলটা কই?’ সবাই যদি ঠিক থাকত তবে স্বর্ণ দিয়ে রাস্তা করা যেত। উনার চেষ্টা ছিল যথেষ্ট। কিন্তু উনি মানুষকে বেশি বিশ্বাস করতেন। এটাই বঙ্গবন্ধুর কাল হয়ে দাঁড়ায়।’
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন জিয়াউর রহমান। তাঁর হাত ধরেই নতুন জীবন পায় রাজাকার ও স্বাধীনতা বিরোধীরা। লাল সবুজের পতাকা ওড়ে তাদের গাড়িতে। সে সময়ের অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে এ সূর্যসন্তান বলেন:
“তখন নীরব কান্না ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার ছিল না। সবচেয়ে দুঃখের ছিল একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও রাজাকার মন্ত্রীর কাছে চাইতে হত। এটা সহ্য করা যেত না। জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা হয়েও ইতিহাসটাকে কলঙ্কিত করেছিলেন। তাঁর স্ত্রী ও দলের হাত ধরেই ক্ষমতাধর হয়ে ওঠে যুদ্ধাপরাধীরা। অথচ দেখেন অনেক পরে হলেও শেখের মেয়ের উদ্যোগেই বিচার হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের। পাপ তার বাপকেও ছাড়ে না। ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে চলে। ইতিহাসই তার পথ দেখায়।’
স্বাধীন দেশে সৎচরিত্রের মানুষ দেখলে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভালো লাগে এ যোদ্ধার। একজন যখন আরেকজনের বিপদে পাশে থাকে তখন স্বাধীনতা তাঁর কাছে অর্থবহ হয়ে ওঠে।
খারাপ লাগে কখন?
“রাজনৈতিক নেতারা যখন স্বার্থের জন্য ক্ষমতার দাপটে নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার চালায়, যখন আওয়ামী লীগে ঘাপটি মেরে থাকা জামাতিদের মুখে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুনি তখন সত্যি কষ্ট পাই।”
পরবর্তী প্রজন্ম দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে– এমনটাই বিশ্বাস যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এ জেড সিদ্দিকীর। বুকভরা আশা নিয়ে তাদের উদ্দেশে তিনি শুধু বললেন: “দেশকে মায়ের মতো ভালোবাস। মা, মাটি, দেশের মধ্যে কোনো পার্থক্য করো না। মাকে যেমন বঞ্চিত করা যায় না তেমনি দেশকেও বঞ্চিত করা যাবে না। আমি বাঁচলে দেশ বাঁচবে– এ নীতি নয়। আমার দেশ বাঁচলে আমি বাঁচব– এই নীতিতে এগিয়ে যেও।”
ছবি: সালেক খোকন

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top