সিডনী বৃহঃস্পতিবার, ৯ই ডিসেম্বর ২০২১, ২৫শে অগ্রহায়ণ ১৪২৮


পদ হারালেন শোভন-রাব্বানী, ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বে নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য


প্রকাশিত:
১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১১:২৮

আপডেট:
৯ ডিসেম্বর ২০২১ ১৮:৫৫

পদ হারালেন শোভন-রাব্বানী, ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বে নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য

প্রভাত ফেরী ডেস্ক: ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং গোলাম রাব্বানীকে। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রথম সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে। একইসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।



শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।



বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানান,  শোভন-রাব্বানীকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। তবে ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি বহাল থাকবে। পদাধিকার বলে আল নাহিয়ান খান জয় ছাত্রলীগের ১ নম্বর ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন। আর লেখক ভট্টাচার্য এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক থাকায় তিনিই ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়েছেন।



উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ ও ১২ মে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ছাড়াই ছাত্রলীগের দুই দিনব্যাপী ২৯তম জাতীয় সম্মেলন শেষে ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি এবং গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ ১ বছর না পেরোতেই তাদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ ওঠে। ওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতাসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনেও ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে নানা ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কথা ওঠে আসে। নিজেদের অনুষ্ঠানে মূল সংগঠনের নেতাদের আমন্ত্রণ করে তাদের পরে অনুষ্ঠান স্থলে উপস্থিত হওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কানে পৌঁছায়। এসব অভিযোগে তিনি প্রকাশ্যে দলীয় সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং এই কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন যা সকল মিডিয়াতে “ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দিতে শেখ হাসিনার নির্দেশ” শিরোনামে প্রকাশিত হয়।



এছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই কোটি টাকা চাঁদাবাজির একটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় তাদের ওপর ব্যাপক ক্ষুব্ধ হন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। এসব ঘটনার জেরে শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।


বিষয়:


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top