সিডনী শুক্রবার, ৩০শে জুলাই ২০২১, ১৫ই শ্রাবণ ১৪২৮

মনসা মঙ্গল (পর্ব দুই) : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়


প্রকাশিত:
২২ জুন ২০২১ ১৪:২৫

আপডেট:
২২ জুন ২০২১ ১৪:২৫

 

পর্ব দুইঃ

সন্ধে সাতটার সময় নন্দিনী লাহিড়ী টিভি দেখতে বসেন। খুব গুছিয়েই বসেন। হাতের কাছে পানের বাটা, জলের বোতল, পিকদানি, সামনে পা রাখার জন্য একটা নরম গদিওয়ালা মোড়া সব গুছিয়ে রাখে পিয়ালি। সন্ধে সাতটার বাংলা খবর থেকে শুরু করে রাত এগারোটা পর্যন্ত তিনি টানা পরপর দু-তিনটে চ্যানেলে বাছাই করা সিরিয়াল দেখে যান। সিনেমা থাকলে সিনেমা। এই সময়ে কোনোরকম ডিস্টার্বেন্স তাঁর সহ্য হয় না। ডালে ফোড়ন দেওয়ার শব্দ হলেও বিরক্ত হন। তাই বাড়ির লোক এ সময়ে সাবধানে থাকে। আজকাল টিভি সিরিয়ালের কল্যাণে সন্ধেবেলা অতিথি অভ্যাগত আসা কমে গেছে। তাই বাঁচোয়া।

নন্দিনীর সংসার অতিশয় সুখের। স্বামী মস্ত সরকারি অফিসার ছিলেন। প্রচুর রোজগার করেছেন তিনি। নন্দিনী নিজে কলেজে পড়াতেন। এখন দুজনেরই অবসর জীবন। তাঁদের একমাত্র ছেলে কৃতী ডাক্তার। বিদেশে পড়তে গিয়েছিল, বড় ডিগ্রি নিয়ে বিদেশে থেকে যায়নি। দেশে ফিরেছে। আর মা-বাবার পছন্দ করা পাত্রীকে বিয়ে করে এ বাড়িতেই আছে, মা-বাবার সঙ্গেই। নন্দিনীর তিন বছর বয়সি একটা ন্যাওটা নাতনি আছে। পুত্রবধূটি উত্তরবঙ্গের এক বাগচি পরিবারের। মুখরা নয়, জেদী নয়, বেশ সরল-সহজ খোলামেলা স্বভাবের। একটু আবেগপ্রবণ, আর কোনো দোষ নেই। শাশুড়ির সঙ্গে তার বেশ ভাবসাব। নন্দিনীর বাড়িতে রান্না এবং কাজের জন্য আলাদা আলাদা লোক আছে, সুতরাং পুত্রবধূ প্রমিতাকে কাজকর্ম বিশেষ করতে হয় না। সন্ধেবেলাটায় সেও শাশুড়ির পাশে বসে টিভি দেখে।

বাড়ির কর্তা চন্দ্রজিৎ লাহিড়ী সকালে খবরের কাগজ পড়েন, বাজার করেন, বাগানের পরিচর্যা করেন, দুপুরে বই পড়েন, বিকেলে ক্লাবে গিয়ে টেনিস খেলেন এবং তারপর সামান্য একটু মদ্যপান ও আনুষঙ্গিকের সঙ্গে রাত দশটা পর্যন্ত ব্রিজ খেলে বাড়িতে ফেরেন। রাত্রে প্রায়ই তিনি বাড়িতে কিছু খান না। রাত এগারোটায় ঘড়ি ধরে শুতে চলে যান। খবর শোনা বা খেলা দেখা ছাড়া তিনি টিভির বিশেষ ভক্ত নন। চন্দ্রজিৎ ঘড়ি ধরে চলতে পছন্দ করেন। নন্দিনীর ঠিক উল্টো। তিনি রাত এগারোটার পর ছেলে চেম্বার সেরে ফিরলে খেতে বসেন। টেবিলের মাথায় তিনি, ছেলে সত্রাজিৎ এবং পুত্রবধূ প্রমিতা দু-ধারে। নাতনি পিউ ততক্ষণে ঘুমিয়ে কাদা। খেতে বসে তাদের মধ্যে নানারকম গল্প হয়। নন্দিনী বেশি কথা বলেন না, তবে মন দিয়ে শোনেন। নন্দিনীর ঘুমের সমস্যা আছে। ষাট পেরোনোর পর তাঁর ঘুম কমে গেছে। প্রথম রাতে ঘুম আসতেই চায় না। চেষ্টা করতে করতে রাত তিনটে-চারটে নাগাদ একটু তন্দ্রামতো আসে। বেশিক্ষণ নয়, ঘণ্টা তিনেক বাদেই উঠে পড়তে হয়। অথচ চাকরিজীবনে এসব সমস্যা ছিল না, শুলেই ঘুমিয়ে পড়তেন। চন্দ্রজিৎ পরামর্শ দেন, একটু-আধটু ড্রিংক করে দেখতে পারো, ভালো ঘুম হবে। নন্দিনী রাজি হন না। তাঁর সংস্কারে বাঁধে।

স্বামী চন্দ্রজিতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা মিশ্র ধরনের। উষ্ণও নয়, শীতলও নয়। চন্দ্রজিতের অনেক কিছুই তিনি পছন্দ করেন না, এবং অনেক কিছু করেন। চন্দ্রজিতের বয়স এখন ছেষট্টি। বয়স ধরলে বুড়ো। তবে চন্দ্রজিৎ টেনিস খেলে এবং কম খেয়ে চেহারাটা বুড়িয়ে যেতে দেননি। চুলে কলপ দেন নিয়মিত। নিজের হাতে বাজার করতে যান পায়ে হেঁটে এবং বোঝা নিয়ে হেঁটেই ফেরেন। বেশ ফিট, তুলনায় নন্দিনী ততটা ফিট নন। তাঁর হাঁটুতে ব্যথা এবং স্পন্ডেলাইটিসজনিত ঘাড় আর কোমরের সমস্যা আছে। সাংঘাতিক কিছু নয়, তবে একটু আধটু কষ্ট তো আছেই। চোখে ছানিও আসছে। এবার শীতেই কাটিয়ে নেবেন বাঁ চোখটা। সত্রাজিৎ ডাক্তার ঠিক করে রেখেছে।

রাত আটটা বাজে। শীতের রাত এবং আজ বেশ ঠান্ডাও পড়েছে। সল্টলেকে এমনিতেই ঠান্ডা একটু বেশি। আজ নন্দিনী পায়ে একটা কম্বল ঢাকা দিয়ে বসেছেন, গায়ে ফুলহাতা কার্ডিগান এবং গরম চাদর। প্রমিতার পরনে একটা গরম কাপড়ের হাউসকোট। একটা জমজমাট বাংলা সিরিয়াল এখনই শুরু হবে। তার আগে একটা বিজ্ঞাপনের বিরতি চলছে। নন্দিনীর সোফার পাশেই পিয়ালি একটা মোড়ায় বসা। সে সুন্দরবন অঞ্চলের মেয়ে। বাড়ি বেশ দুর্গম জায়গায়। কোরাকাঠি গ্রাম। চার বছর ধরে এ বাড়িতে আছে। তার প্রধান কাজ হল নন্দিনীর দেখাশুনো করা। নন্দিনী কিন্তু অশক্ত মহিলা নন। তবু পিয়ালি তাঁকে বেশ তোলা-তোলা করে রাখে। আর নন্দিনী পিয়ালির মধ্যে তাঁর না হওয়া মেয়ের একটা অনুষঙ্গ পান।

পিয়ালি বলল, এবার চা করে আনি, মা?
একটু আদার রস দিস তো?
ঠিক এই সময়ে ডোর বেল বাজল।
দ্যাখ তো, কর্তা ফিরল নাকি?
প্রমিতা দেয়াল ঘড়িটা দেখে বলল, এত তাড়াতাড়ি!
তাই তো! এ সময়ে কে এল আবার! হুট করে দরজা খুলিস না, আই হোল দিয়ে দেখে নিস।
পিয়ালি নীচে গিয়ে দেখে এসে বলল, অচেনা লোক মা। তবে ভদ্রলোকের মতো চেহারা।
শেকলটা আটকে দরজা ফাঁক করে জিজ্ঞেস কর, কী চায়। কুরিয়ারের পিওন নয় তো?
না, সেরকম চেহারা নয়। অল্পবয়সি, পরনে জিনস আর ফুলহাতা সোয়েটার, ফরসা।
জিজ্ঞেস করে নে আগে।
পিয়ালি নীচে গেল ফের। একটু বাদে ফিরে এসে বলল, ও মা! ইংরেজি বলছে যে!
বিরক্ত নন্দিনী বলেন, ইংরেজি বলেছ! সেলসম্যান নয় তো! প্রমিতা, একটু দ্যাখো তো!

প্রমিতা উঠে গিয়ে কিছুক্ষণ বাদে এসে বলল, শ্বশুরমশাইয়ের খোঁজ করছে। নেই বলাতে আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাইছে এখন। দরকার কীসের? তা তো বলেছ না। আপনাকে বলবে বলছে।

কাল সকালে আসতে বলে দাও।
বলেছি, কিন্তু বলছে কাল সকালে ও মুম্বই ফিরে যাবে।
কী নাম?
সাঁইদাস লাহিড়ী।
লাহিড়ী! বাংলা বলছে না?
না। বাংলা জানে না।
কী আর করা! ভিতরেই ডাকো।

প্রমিতার সঙ্গে যে ছেলেটা এসে ঘরে ঢুকল সে অন্তত ছ-ফুটের ওপরে লম্বা, টকটকে ফরসা রং, মুখশ্রী চমৎকার। নীল জিনস আর উটের গায়ের রঙের পুল ওভারে কী সুন্দর যে দেখাচ্ছে! ঘরটা যেন আলো হয়ে গেল।

সুপুরুষ ছেলেটিকে দেখে চোর ডাকাত বলে মনে হয় না।
চেহারায় বাঙালিয়ানাও নেই। নন্দিনী বিরক্তি ভুলে কয়েক সেকেন্ড চেয়ে থেকে বললেন, হোয়াট ডু ইউ ওয়ান্ট, ইয়ং ম্যান?

ছেলেটি সুন্দর একটু হেসে ইংরেজিতে বলল, বড়ো অসময়ে এসে পড়েছি। কিন্তু আমি আর সময় করতে পারিনি। মাফ করবেন। নন্দিনী দেখলেন, ছেলেটি চোস্ত ইংরেজি বলে। নন্দিনী একটু নরম গলায় বললেন, তোমার কি খুব জরুরি কোনো দরকার? আমার স্বামী রাত দশটার আগে ফিরবেন না।

ওঁর সঙ্গে দেখা হলে ভালো হত। কিন্তু আমার ফ্লাইট কাল সকালে। আজ সারাদিন আমি ব্যস্ত ছিলাম বলে আসতে পারিনি।

তুমি কী করো?
আমি বিজনেসম্যান। আপনি আমার কার্ড রেখে দিন।
আমার স্বামী কি তোমাকে চেনেন?
না। চেনার দরকারও নেই। শুধু একটা জিনিস যদি দয়া করে ওঁকে দিয়ে দেন তাহলেই হবে।
বলে প্যান্টের পকেট থেকে সেলোফেনে মোড়া একটা জিনিস বের করে সেন্টার টেবিলে রেখে দিল।
জিনিসটা কী বলো তো!
একটা গয়না।
নন্দিনী অবাক হয়ে বললেন, গয়না! কার গয়না? কাকে দিতে চাইছ?
ছেলেটি মাথা নেড়ে বলল, সে সব আমার জানা নেই। আপনি শুধু আপনার হাজব্যান্ডকে বলবেন মুম্বই থেকে সরোজাদেবী ওটা পাঠিয়েছেন। এর বেশি কিছু সরোজাদেবী আমাকে বলেননি।
উদ্বেগের গলায় নন্দিনী বললেন, কিন্তু তাঁকে তো আমরা চিনি না, গয়না নেব কেন?
সম্ভবত আপনার হাজব্যান্ড ওঁকে চেনেন।
হিপ পকেট থেকে একটা কার্ড হোল্ডার বের করে একটা কার্ডও ছেলেটা সেন্টার টেবিলে রেখে দিল। বলল, আমি অপেক্ষা করতে পারছি না। আমার একটা জরুরি মিটিং আছে।
দাঁড়াও বাপু। আগে গয়নাটা দেখি।

প্রমিতা তাড়াতাড়ি মোড়কটা এনে নন্দিনীর হাতে দিল। নন্দিনী খুলে চমকে গেলেন। চমৎকার একটা নেকলেস। একটু পুরোনো ডিজাইন বটে, কিন্তু বেশ ভারী এবং দামি পাথর বসানো।
ও বাবা! এ তো দামি জিনিস! কিন্তু আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।
সাঁইদাস তেমনি সুন্দর হেসে বলল, আমি দুঃখিত যে, এর বেশি আমি ও কিছু জানি না।
সরোজাদেবী তোমার কে হন?
আমাদের চেনা জানা আছে।
তোমার পদবি লাহিড়ী! তোমার বাবার নাম কী?
এস. লাহিড়ী? তিনি বাঙালি। কিন্তু আমি বাংলা জানি না।
তিনি কী করেন?
রিটায়ার্ড। চাকরি করতেন।
সাঁইদাস, গয়নাটা যদি আমরা না নিই?
আপনার হাজব্যান্ড মিস্টার লাহিড়ী হয়তো রিফিউজ করবেন না। আর যদি করেন তাহলে আমাকে জানিয়ে দেবেন।
সরোজাদেবীর ফোন নম্বর কী? সেটা লিখে দিয়ে যাও।
সরি মিসেস লাহিড়ী, ওঁর কোনো ফোন নেই। উনি আশ্রমে থাকেন। খুব সেকলুডেড লাইফ। কারও সঙ্গে কন্ট্যাক্ট রাখেন না।
সাধিকা নাকি?
ওই রকমই।
কী যে মুশকিল হল! তুমি বোসো বাপু, একটু চা খাও।
না মিসেস লাহিড়ী, বসবার সময় নেই। আমার জন্য অনেক লোক অপেক্ষা করছে।
ছেলেটা যেমন হুট করে এসেছিল তেমনি হুট করে চলে গেল।
নেকলেসটা হাতে নিয়ে ভারি স্তম্ভিত হয়ে বসে রইলেন নন্দিনী।
প্রমিতা, কিছু বুঝতে পারছ?
না, মা।
সরোজাদেবীর নাম তো জন্মেও শুনিনি ওঁর মুখে।
আমার কী মনে হচ্ছে, জানেন মা? আমার মনে হয় বাবা যখন মুম্বইতে ছিলেন তখন বোধহয় ওই সন্ন্যাসিনীর কাছে দীক্ষা টীক্ষা নিয়েছিলেন।
কিন্তু নেকলেসটা এল কেন?
শিষ্যকে হয়তো গুরুর আশীর্বাদ!
উহুঁ। গুরু শিষ্যকে নেকলেস পাঠায়, এ তো জন্মে শুনিনি।
বাবাকে তো ক্লাবে তখনই একটা ফোন করতে পারতেন, মা!
ওই দেখো! তাই তো! কথাটা তো আমার মাথায় আসেনি। তুমিও তো বাপু বলতে পারতে আমায়!
আসলে আমারও কেমন যেন একটু হকচকিয়ে যাওয়ার মতো হয়েছিল।
ছেলেটা কী হ্যান্ডসাম, বলুন!
হ্যাঁ, আবার পদবিটাও লাহিড়ী। কী জানি বাপু, আমার বড় গোলমেলে লাগছে।
পিয়ালি তিন কাপ চা ট্রেতে করে এনে বলল, ও মা! লোকটা কোথায় গেল! চা নিয়ে এলুম যে!
নন্দিনী বললেন, তুই খা না মুখপুড়ি। সে চলে গেছে।
আমার চাও তো আছে। তাহলে বলরামকে দে। তোমার যেমন কথা! বলরাম হল নিষ্টে বামুন, বাইরের লোকের কাপে ঢালা চা সে খায় নাকি? জাত যাবে না?
তাহলে ফেলে দিগে যা।

ঝকমকে দাঁতে এক গাল হেসে পিয়ালি বলল, ফেলব কেন, আমিই দু-কাপ খেয়ে নিই। নন্দিনী চায়ের কাপ হাতে নিয়ে বললেন, আমার সিরিয়ালটার আজ বারোটা বাজল। কতটা হয়ে গেল বলো তো!

কাল রিপিট শোটা দেখে নেবেন।

নন্দিনী সিরিয়ালটায় মন দিতে পারছেন না। মনটা বারবার নেকলেস, সাঁইদাস আর সরোজাদেবীতে ঘোরাফেরা করছে। চন্দ্রজিৎ সরকারি চাকরির সুবাদে দিল্লি, মুম্বই আর চেন্নাইতে থেকেছেন। কোথাও কোথাও তিন-চার বছর ধরে। নন্দিনী নিজের কলেজের চাকরি ছেড়ে, স্বামীর সঙ্গে কখনও টানা বসবাস করেননি। তবে গ্রীষ্ম আর পুজোর ছুটিতে গিয়ে থেকে আসতেন। তাতে সম্পর্কটা যেন তরতাজা থাকত। দুজনে দুজনের কাছে একঘেয়ে বা পুরোনো হয়ে যাননি।

সরোজাদেবী কে, প্রশ্নে মনটা উচাটন। ক্লাবে ফোন করে চন্দ্রজিৎকে জিজ্ঞেস করবেন কিনা সেটা ঠিক করতে পারছিলেন না। ব্রিজ খেলার সময় কোনো বিক্ষেপ চন্দ্রজিৎ পছন্দ করেন না। তা ছাড়া দশটা সাড়ে দশটায় লোকটা তো ফিরে আসবেই। ততক্ষণ কষ্ট করে ধৈর্য করে থাকাই তার যুক্তিযুক্ত মনে হল।

সেন্টার টেবিলে রাখা কার্ডটা হাত বাড়িয়ে নিয়ে দেখলেন নন্দিনী। প্লাস্টিকের ভারি সুদৃশ্য কার্ড। সাঁইদাস লাহিড়ী। সাঁই এন্টারপ্রাইজ। ওরলি। মুম্বই। নীচে কয়েকটা টেলিফোন নম্বর, ফ্যাক্স নম্বর, ই-মেল অ্যাড্রেস ইত্যাদি যেমনটা হয় আর কি।

লেবু, বিটনুন আর আদা দেওয়া কালো চা-টা এ সময়ে খুবই উপভোগ্য লাগে নন্দিনীর। আজ যেন চায়ের কোনো স্বাদগন্ধই পেলেন না। পিয়ালিকে বললেন, জানালার একটা পাল্লা খুলে পরদা সরিয়ে দে তো! কেমন হাঁফধরা লাগছে!

পিয়ালি গিয়ে জানালার পাল্লা খুলে দিতেই কনকনে বাতাসের ঝাপটা এসে দুলিয়ে দিল দেয়ালের ক্যালেন্ডার।

চলবে

মনসা মঙ্গল (পর্ব এক)

 

এই লেখকের অন্যান্য লেখা



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top